Showing posts with label Genarel. Show all posts
Showing posts with label Genarel. Show all posts

Friday, April 17, 2020

পল্টি ক্যানাবলিজম।।Canabolism



পল্টি ক্যানাবলিজম (Canabolism)


প্রধানত পুষ্টিহীনিতা, টাসাটাসি পালন, বহিপরজীবি, ঘরে বেন্টিলেশন কম হলে, আবাহাওয়া অতন্ত্য চরম ভাবাপন্ন, ঘরে আলোর পরিমাণ মাত্রাতিক্ত ফিলেট খাদ্য খাওয়ালে ইত্যাদি।

পল্টির ক্যানাবলিজমের লক্ষণঃ


Ø দলছুত হয়ে এক কোনে বসে থাকে।

Ø পায়ে টুকরানো।

Ø পালক তোলে ফেলা।




Ø পায়ের আঙ্গুল টুকরানো।

Ø অন্য মুরগির সাথে টুকরা টুকরি।

Ø নিজের ডিম ভেঙ্গে খেয়ে ফেলা।


Ø ওনেক সময় দেখা যায় টুকরা টুকরির ফলে রক্ত বের হয়।

Ø এই ক্ষত স্থানে অন্য মুরগিও টুকরাতে শুরু করে।

Ø কখোনো কখোনো টুকরাতে টুকরাতে মেরে ফেলে।

পল্টির ক্যানাবলিজমের রোগ নির্ণয়ঃ 


বৈশিষ্ট্যপূর্ণ ও রোগের ইতিহাস জেনে এই রোগ নির্ণয় করা যায়।

পল্টির ক্যানাবলিজমের চিকিৎসাঃ 


কারন অনুযায় চিকিৎসা ও প্রতিরোধ করেতে হবে-

  •  মুরগিকে খাদ্য গ্রহনের ও পানি পানের পর্যাপ্ত জায়গা, পর্যাপ্ত বাসস্থান নিয়মিত পানি ও খাদ্য সরবরাহ করেলে এ রোগ প্রতিরোধ করা যায়।


  •  বাড়ন্ত বয়সে (৪-৬ সাপ্তাহ) পাখির ঠোঁট কর্তন/ ডেবিকিং করলে বহুলাংশে প্রতিরোধ হয়।
  • কোন মুরগির গায়ে ক্ষত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ঝাঁক হতে সরিয়ে নিতে হবে।

Murgir tukratukrir Samadan cikitsa, 

Murgir maramarir cikitsa samadan, 

মুরগির টুকরাটুকরি চিকিৎসা সামাধান,

মুরগির মারামারির চিকিৎসা সামাধান,

Wednesday, April 15, 2020

ইনফেকসাস করাইজা।।Infectious Cryza

মুরগির ইনফেকসাস করাইজা (Infectious Cryza)



হেমোফিলাস গ্যালিনিয়াস (Haemophillus Paragallinarum) নামক ব্যাকটেরিয়া।

ইনফেকসাস করাইজার লক্ষণঃ

· ঠান্ডা লাগলে রোগের প্রকোপ বৃদ্ধি পায়।

· সর্দির সাথে জ্বর এবং পানি পিপাসা বৃদ্ধি পায়।

· সর্দি ক্রমেই ঘন ও আঠালো হয় এবং ভিতর থেকে মাথার উপর চাপ সৃষ্টি করে। ফলে চোখের মনি ঠেলে বেরিয়ে আসতে চায়।

· চোখে ময়লা জমে এবং দুর্গন্ধ সৃষ্টি করে।

· পাখি খাওয়া কমিয়ে দেয় এবং কখনো কখনো ডায়রিয়া হতে দেখা যায়।

· ডিম পাড়া মুরগীর ডিম পাড়া কমে যায়।

· মৃত্যুর হার অতন্ত্য বেশি।

ইনফেকসাস করাইজার রোগ নির্ণয়ঃ


বৈশিষ্টপূর্ণ রোগের লক্ষণ ও ব্লাড সেরাম টেস্ট করে রোগ নির্ণয় করা যায়।

চিকিৎসাঃ

এনরোসিন প্রতি লিটার খাবার পানিতে ০.৫ মিলি মিশিয়ে ৪-৫ দিন খাওয়াতে হবে।

অথবা,

এসকাডক্স পাউডার-ডক্সিসাইক্লিন ১০% ১ গ্রাম ২ লিটার পানিতে মিশিয়ে ৩-৭ দিন খাওয়াতে হবে।

ইনফেকসাস করাইজার প্রতিরোধঃ


1. ব্যাবস্থাপনার উন্নতি করা।

2. পরিস্কার পরিচ্ছন্নতা।

3. প্রতিষেধক টিকা প্রদান।

4. আক্রান্ত ব্রিডার মুরগীর ডিম হ্যাচারিতে ব্যাবহার না করা।

ফাউল কলেরা।। Fowl Cholera

মুরগির ফাউল কলেরা (Fowl Cholera)


পাসচুরেলা মালটোসিটা (Pasteurella multocida) নামক ব্যাকটেরিয়া।

 ফাউল কলেরার লক্ষণঃ

· তীব্র আকারে আক্রান্ত হলে হঠাৎ ঘরের মধ্যে হাঁস-মুরগী মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়।

· মৃদু আকারে আক্রান্ত হলে দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি, সবুজ বা হলুদ বর্ণের পাতলা পায়খানা হয়।

· শ্বাস কষ্ট, দ্রুত ওজন হ্রাস ও খাদ্য গ্রহনের প্রতি অনীহা দেখা দেয়।

· মুরগীর মাথার ঝুটি, কানের লতি ও গলার ফুল নীলাভ এবং হাঁসের ক্ষেত্রে ঠোঁট নীলাভ রঙ হয়।




· ডিম পাড়া মুরগী/হাঁসের ডিম উৎপাদন হ্রাস পায়।

 ফাউল কলেরার রোগ নির্ণয়ঃ

· লক্ষণ দেখে এ রোগ নির্ণয় সহজ হয়।

· এছাড়া প্রকৃত রোগ নির্ণয় করতে ময়না তদন্ত করা প্রয়োজন। ময়না তদন্ত করলে বিভিন্ন অংশে ক্ষুদ্র বিন্দু বিন্দু রক্তের কণা, দেহের ভিতর বিভিন্ন অঙ্গ যেমন- স্ফীত যকৃত, প্লীহা এবং প্লীহার মধ্যে প্রচুর রক্তের জমাট দৃষ্ট হয় এবং বৃহাতন্ত্রের মধ্যে সবুজ ও পাতলা পায়খানা পূর্ণ থাকে। 



ফাউল কলেরার চিকিৎসাঃ


সুলট্রিক পাউডার রোগের সাধারণ চিকিৎসায় প্রতি লিটার পানিতে ১.৫-২.০ গ্রাম এবং তীব্র রোগের চিকিৎসায় প্রতি লিটার পানিতে ২.৫ গ্রাম মিশিয়ে পর পর ৩-৫ দিন প্রয়োগ করতে হবে।

অথবা,

সিনোফ্লক্স ১০% প্রতি ২ লিটার পানিতে ১ গ্রাম সিনোফ্লক্স ১০% মিশিয়ে পর পর ৩-৫ দিন খাওয়াতে হবে।

ফাউল কলেরার প্রতিরোধঃ

1. অসুস্থ হাঁস মুরগীকে আলাদা করে চিকিৎসা করা।

2. সুস্থ হাঁস-মুরগীকে টিকা প্রদান।

3. ঘর সরঞ্জামাদি জীবাণু নাশক দ্বারা জীবাণু মুক্ত করতে হবে।

Monday, April 13, 2020

দেশি মুরগি বাছাই করা এবং জাত নির্বাচন।।Pick up the native chicken

বাণিজ্যিক ভাবে দেশি মুরগি পালনের জন্য বাছাই এবং জাত নির্বাচন :


দেশি মুরগির অনেক জাত এখন বিলুপ্তপ্রায়। অথচ গ্রামীণ জনপদে একটা সময় আমিষের অন্যতম জোগান আসত এই মুরগির মাংস ও ডিম থেকে। স্বল্প খাবারে বেড়ে ওঠায় এসব মোরগ-মুরগি বিক্রি করে দরিদ্র জনগেষ্ঠী আর্থিকভাবেও লাভবান হতো । পোলট্রি আসার পর ধীরে ধীরে হারিয়ে গেছে দেশি জাত ।


সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। সাত ধরনের পিউর লাইনদেশি মুরগির উদ্ভাবন করছে। এগুলো হলো,


১। রেড জাঙ্গল ফাউল (বন মোরগ)।




২। সিলেটের পাহাড়ি এলাকার হিলি,




৩। নেকেড নেক (গলা ছিলা),




৪। ফ্রিজেল


৫। আচিল




৬। কাদাকনাথের ক্রসব্রিডিং ।





৭। পুলিশ কেপ-মাথায় পাল্কের ঝুটি বিশিষ্ট ।








এছাড়াও আরো অনেক জাতের দেশি মুরগী রয়েছে তবে এই জাতের মুরগী গুলো উন্নত। বাণিজ্যিক ভাবে দেশি মুরগী পালনের জন্যে এই জাত গুলো পাওয়া না গেলে পাড়া মহল্লা থেকে বাছাই করে দেশি মুরগী পালন শুরু করতে হবে। আমি ব্যাক্তি গত ভাবে এই ভাবে সংগ্রহ করে বাণিজ্যিক ভাবে দেশি মুরগি পালন শুরু করেছি।
দেশি মুরগী পাড়া থেকে বাছাই করার সময় যে বিষয় গুলো মাথায় রাখতে হবেঃ-


১। এমন কালার বাছাই করতে হবে যেন সোনালী মুরগীর কালারের সাথে কোন ভাবে মিলে না যায়।


২। ওজন -


ক) মুরগী (Female) ওজন কমপক্ষে ১.৫-১.৮ কেজি হতে হবে।


খ) মুরগ(male) ওজন কমপক্ষে ২.০-২.৫ কেজি হতে হবে।


৩। যথাসম্ভব লাল কালার পরিহার করতে হবে।


৪। বাছায়ের সময় গলাচিলা জাতের মুরগীকে প্রধান্য দিতে হবে।


৫। মাথায় পাল্কের ঝুটি বিশিষ্ট মুরগী আদি কালের দেশি মুরগী হিসাবে পরিচিত। তাই এই জাতটি পাওয়া গেলে বাণিজ্যিক ভাবে লাভবান হওয়া যাবে।


৬। সাদা, কালো, লাল মিশ্রিত কালারের মুরগী বাছাই করতে হবে।


৭। খাটো পা বিশিষ্ট মুরগী বাছাই করতে হবে।


৮। পা যেন হলুদাবর্ণের হয়, যদিও বাণিজ্যিক ভাবে পালন করতে গেলে দেশি মুরগীর পা হলুদাবর্ণ থাকে না।


উল্লেক্ষিত বৈশিষ্টের জাত গুলো পাওয়া গেলে মার্কেটিং করতে কোন সমস্যা হবে না।

Saturday, April 11, 2020

Ctg Agro Project

Ctg Agro Project একটি আদর্শ দেশি মুরগির ফার্ম। এখানে ১০০% পিওর দেশি মুরগির বাচ্চা, রেডি দেশি মুরগি, ডিম পাওয়া যায়৷

Mobile: 01818452002

Saturday, March 14, 2020

Quarantine -কোয়ারেন্টাইন বা সংঘ নিরোধ


Quarantine বা সংঘ নিরোধ




Quarantine কি?

Quarantine একটি ইংরেজী শব্দ। যার বাংলা অর্থ সংঘ রোধ।
সহজ ভাষায় কোয়ারেনটাইনের সংজ্ঞা যদি বলি তাহলে এভাবে বলতে পারি- Quarantine হচ্ছে একটা পদ্ধতির নাম। যে পদ্ধতিতে একটা ফার্মে নতুন হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগল বা পাখি আনা হলে সেই পশু-পাখি যেন খামারে পূর্বে থাকা প্রাণী গুলোর মাঝে কোন রোগ, পরজীবী ইত্যাদি না ছড়াতে পারে তার বিজ্ঞানসম্মত ব্যবস্থাপনাই Quarantine.
এটি একটি স্বাস্থ্যগত বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি যার দ্বারা যেকোন বহিরাগত প্রাণীকে ‍নিজের সংগ্রহে নেয়ার আগে সেই প্রাণীদেরকে সম্পূর্ণ রোগমুক্ত করা হয়।
জেনে রাখা ভালো Quarantine শুধুমাত্র পশু পাখির জন্যই প্রযোজ্য না। বরঞ্চ প্রাণী জগতের সমস্ত প্রাণী  এমনকি গাছপালার ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।
চলুন আজকে আমরা হাঁস-মুরগি, গরু-ছাগল নিজের সংগ্রহে নেয়ার আগে কিভাবে কোয়ারেনটাইন করতে হয় সেটা শিখি।
Quarantine কেন করতে হয়?
আপনি শখ করে অল্প কিছু হাঁস-মুরগি কিংবা কয়েকটা ছাগল-ভেড়া পালন করছেন। আপনি নিয়মিত তাদের ভ্যাকসিনেশন করছেন এবং কৃমি বা পরজীবী মুক্ত রাখছেন।
এমতাবস্থায় কোন প্রয়োজনে আপনি কোন হাট হতে অথবা কোন খামার হতে ১-২টা নতুন প্রাণী বা পাখি নিয়ে আসলেন। আর এনেই ধুম করে আপনার প্রাণী বা পাখিগুলোর সাথে ছেড়ে দিলেন।
কিছুদিনের মধ্যেই আপনার সাজানো বাগান পূর্বের ন্যায় সুসজ্জিত নাও থাকতে পারে। কোন ভাইরাস বা ব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ আপনার খামারে হানা দিতেপারে। এছাড়া বিভিন্ন ধরনের আন্তঃ এবং বহিঃপরজীবী আপনার পুরো ফার্মে ছড়িয়ে যেতে পারে।
ফলস্বরূপ- যেটা হয় অধিকাংশ ক্ষেত্রেই কিছু বুঝে উঠার আগেই মহামারিতে সব শেষ। অথবা পরজীবী বা অন্যকোন রোগ আপনার ফার্মে ছড়িয়ে উৎপাদন ব্যহত করবে এবং আপনি অর্থনৈতিক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবেন। এসব অনাকাংখিত দুর্ঘটনা এড়ানোর লক্ষ্যেই বিজ্ঞানসম্মত পদ্ধতিতে Quarantine করতে হয়।

কিভাবে Quarantine করতে হয়?
১। প্রথমে (নিরাপদ দূরত্ব ১০০মিটার) দূরে একটি ঘর বানাতে হবে। বাহির হতে আনা প্রাণী সেই ঘরে রাখতে হবে।
২। কোন প্রাণী অসুস্থ থাকলে তাকে প্রয়োজনীয় চিকিৎসাসেবা দিতে হবে।
৩। এরপর পাঁচ দিন ভিটামিন বি কমপ্লেক্স এবং লেবুর সরবত দেয়া যেতে পারে যাতে দ্রুত ধকল কাটিয়ে উঠে।
৪। এরপর কৃমি মুক্ত করতে হবে।
৫। কৃমিমুক্ত করার পরদিন হতে তিন দিন লিভারটনিক দেয়া যেতে পারে।
৬। এরপর অক্সিটেট্রাসাইক্লিন গ্রুপের ঔষধ দেয়া যেতে পারে পাঁচ দিন। যাতে কোন ধরনের ছোটখাটো ব্যাকটেরিয়াল ডিজিজ থাকলে তা রিকভার করে।
৭। এরপর ভালমানের কোন মাল্টিভিটামিন দেয়া যেতে পারে ৫-৭দিন।
৮। এরপর হাঁস হলে ডাকপ্লেগ, টার্কি বা মুরগি হলে রানিক্ষেত, ছাগল-ভেড়া হলে পিপিআর এবং গবাদি পশু হলে ক্ষুরা রোগের ভ্যাক্সিন করতে হবে।
৯। এরপর রোদ্রজ্জল দিন হলে উকুননাশক সাবান দিয়ে গোসল করিয়ে দিবেন যাতে বহিঃপরজীবী মুক্ত হয়।
১০। আরো কয়েকদিন অবজার্ভ করে কোন ধরনের অস্বাভাবিকতা বা অসুস্থতা না থাকলে মুল শেডে প্রবেশ করাতে হবে।
১১। পুরো প্রসেসটি পার হতে অন্তত ২১দিন সময় লাগবে। এই সময়টা অবশ্যই দিতে হবে।
হুট করেই ভ্যাকসিন দেয়া যাবেনাঃ
কোন পশু পাখি অন্য কোন স্থান হতে এনেই ভ্যাকসিন দিয়ে দেয়া যাবেনা। আমরা যে ভ্যাকসিন দেই তা কিন্তু এক ধরনের ভাইরাস। সহজভাবে বলতে গেলে ভাইরাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার জন্য এন্টি ভাইরাস। যে কারনে পশু পাখি কোন ধরনের রোগে আক্রান্ত থাকলে ভ্যাকসিন প্রয়োগ করলে হিতে বিপরীত হবে।

Friday, March 13, 2020

হাঁস মুরগীর কয়েকটি সাধারন রোগের লক্ষন ও কারন, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ



যাদের ইতোমধ্যে হাঁস মুরগীর খামার আছে এবং যারা নতুন করে খামার করতে চাচ্ছি, একটা ব্যাপার সবার কাছে খুব সাধারন উদ্বেগের বিষয় যে হাঁস মুরগীর রোগ বালাই হলে কি করব? কখনো কখনো মড়ক লেগ হঠাৎ একসাথে হাজার হাজার হাঁস মুরগী মারা যায়। এর মাঝে বেশ কিছু প্লেগ বা মড়ক জাতীয় রোগ আছে যার এখন তেমন কোন চিকিৎসা আবিষ্কার হয়নি; বার্ড ফ্লু তন্মধ্যে অন্যতম। নিচে আমরা হাঁস মুরগীর কয়েকটি সাধারন রোগ বালাই তার লক্ষন ও কারন, চিকিৎসা ও প্রতিরোধ নিয়ে আলোচনা করব।

Duck Plague – ডাক প্লেগ

লক্ষন ঃ-
1. হাঁসের চোখ দিয়ে পানি ঝরে।
2. চাল ধোয়া পানির মত ঘোলা পায়খানা করে।
3. মাঝে মাঝে নিলাভ, মাঝে মাঝে সবুজ পায়খানা করে।
4. পা অবশ হয়ে যায় এবং এক জায়গায় চুপচাপ বসে থাকবে, ঝিমাবে।
5. পুরুষ হাঁসের ক্ষেত্রে পুরুষাঙ্গ বের হয়ে যায়।
6. প্রতিদিন ২/৪টা মারা যাবে।
7. মৃত্যু হার ৮০-৯০ ভাগ।
চিকিৎসা ঃ-
1. কসুমিক্স প্লাস – ১লিঃ পানিতে ২গ্রাম মিশিয়ে বার বার খাওয়াতে হবে ৫দিন।
2. সাথে স্যালাইন – ইলেক্ট্রোলাইট / ডেক্সট্রোলাইট
3. একই সাথে ৫-১০গ্রাম মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।
4. পটাশ দিয়ে বার বার হাঁসের ঘর ধুয়ে দিতে হবে।
প্রতিরোধ ঃ-

ডাক প্লেগের ভ্যাকসিন দিতে হবে।
ডাক কলেরা
কারন ঃ-

ব্যক্টেরিয়া জনিত
লক্ষনঃ-
1. তরল পায়খানা হবে।
2. ঘনঘন পায়খানা হবে।
3. মৃত্যু হার ৮০-৯০ ভাগ।

প্রতিরোধ ঃ- ডাক কলেরার ভ্যাকসিন দিতে হবে।
মুরগীর রানীক্ষেত
কারন ঃ-

ভাইরাস জনিত রোগ।
লক্ষন ঃ-
1. সবুজ পায়খানা করে।
2. তাপমাত্রা বেড়ে যাবে।
3. চুনা পায়খানা করে।
4. মাঝে মাঝে নিল পায়খানা করে।
5. মাথার ঝুটি ফ্যাকাসে হয়।
6. পাখনা ঝুলে যায়।
7. পালক উস্কো খুস্কো হয়ে যায়।
8. তিব্র আকারে আক্রান্ত হলে লাফ দিয়ে পড়ে মারা যায়।
9. আক্রান্ত মুরগির লিভারে সাদা সাদা দাগ পড়বে।
10. মুরগির স্প্লিন এর উপর সাদা রিঙের মত দাগ পড়বে।
চিকিৎসা ঃ-
1. রানিখেত বা ভাইরাস জনিত রোগের কোন সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নাই।
2. পরবর্তিতে যেন নতুন ভাবে অন্য কোন ব্যক্টেরিয়ায় আক্রান্ত না হয় তার জন্য এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করতে হবে। যেমন: রেনামাইসিন, টেরামাইসিন ইত্যাদি।
প্রতিরোধ ঃ-

BCRDV and RDV vaccine দিতে হবে।
গাম্বুরু – Bursal Disease
কারন ঃ- ভাইরাস জনিত রোগ।
লক্ষন ঃ-
1. চুপচাপ বসে ঝিমায়, সব একসাথে বসে থাকবে।
2. পিছনের অংশে বার্সার চারপাশে পানি জমে ফোলা ফোলা থাকবে।
3. বার্সা পচে যায়।
4. মরার পর কাটলে পিছনের অংশ দিয়ে পানি বের হবে।
চিকিৎসা ঃ-
1. সুনির্দিষ্ট কোন চিকিৎসা নাই।
2. তবে আখের গুড়ের শরবত খুবই কার্যকরি। ১লিঃ পানে ২৫০গ্রাম আখের গুড়, ২টি রেনামাইসিন ট্যবলেট, ১টি লেবু মিশিয়ে খাওয়াতে হবে।
3. মুরগিকে অনবরত দৌড়াতে হবে।
4. সম্পুর্ন লিটার পালটে দিতে হবে।
প্রতিরোধ ঃ-

গাম্বুরু ভ্যাকসিন দিতে হবে।

ফাউল পক্স – Fowl Pox
কারন ঃ-

ভাইরাস জনিত
লক্ষন ঃ-

পালকের নিচে, নাকে, ঝুটিতে গুটি গুটি উঠে।
চিকিৎসা ঃ-
1. পটাশ মিশ্রিত পানিতে দিয়ে ধুয়ে দিতে হবে।
2. এনড্রোসিন, / রেনামাইসিন / টেরামাইসিন ১লিঃ পানিতে ৫মিলি ৫-৭ দিন
3. অথবা কুসুমিক্স প্লাস ৫গ্রাম ১লিঃ পানিতে।
প্রতিরোধ ঃ-

ওয়েব উইং পদ্ধতিতে ফাউল পক্স টিকা দিতে হবে।
রক্ত আমাশয়
কারন ঃ-

Plasmodium এর কারনে।
লক্ষন ঃ-
1. রক্ত মিশ্রিত পায়খানা করবে।
2. খাওয়া বন্ধ করে দিবে।
3. মলদার ভিজা থাকবে।
4. মুরগি শুকিয়ে যাবে।
5. পাখনা ঝুলে যাবে।
চিকিৎসা ঃ-

ESB / Embazin / Coccidure / Coccicure
প্রতিরোধ ঃ-

Coccdustade / Coccicubuinder খাবারের সাথে দিতে হবে।

গরুর জাত উন্নয়ন

গরুর জাত উন্নয়নে যা জানা জরুরীঃ

       

          গরুর জাত উন্নয়নে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই। আমাদের দেশে গবাদিপশু তথা গরু পালন একটি লাভজনক পেশা। গরু পালনে লাভবান হওয়ার অন্যতম উপায় হল দুদ্ধ খামারে জাত উন্নয়ন। আসুন জেনে নেই গরুর জাত উন্নয়নে যা জানা জরুরী সে সম্পর্কে-

Image result for cow


      ১। কোন বুল বা ষাঁড়ের সিমেন বা বীজ দিলেন তা রেকর্ড রাখতে হবে যেন এই সিমেন যে গাভীকে দেওয়া হল তার কোন ভবিষ্যত বংশধরের মধ্যে না পড়ে।
      ২। এ.আই কর্মীকে প্রশ্ন করে জানতে হবে সে কোন কৌলিকগুণ সম্পন্ন বুলের সিমেন নিয়ে এসেছে। বুলের সিমেনের পিডিগ্রি, জেনমিক হিস্ট্রি মানে সহজ কথায় বুলের মা’এর দিকের দুধ দানের সক্ষমতা কেমন তা জানতে হবে।
      ৩। খেয়াল রাখতে হবে যেন গাভীর বাচ্চা ৭৫% ফ্রিজিয়ানের উপর না হয়।
      ৪। প্রাইভেট সিমেন কোম্পানীদের বুলের পিডিগ্রি এবং জেনমিক হিস্ট্রি দিতে হবে। এ. আইকে প্রশ্ন করে জানতে হবে।
      ৫। যাদের সিমেন সংগ্রহের নাইট্রোজেন জার আছে তারা চেস্টা করুন ভাল সিমেন সংগ্রহ করে স্টকে রেখে দেবার। একটা নাইট্রোজেন জার সংগ্রহে রাখা অত্যান্ত জরুরী।
      ৬। গাভীকে কত ভাগ সিমেন দিতে হবে সেটা নির্ভর করে গাভীর বর্তমান অবস্থানের উপর। যে গাভী ১০ লিটার দুধ দিচ্ছে ধরে নিন সেটা ৩৭.৫% ফ্রিজিয়ান , যেটা ১৫-১৮ লিটার দুধ দিচ্ছে ধরে নিন সেটা ৫০% ফ্রিজিয়ান, যেটা ২০-২৫ লিটার দুধ দিচ্ছে ধরে নিন সেটা ৭৫% ফ্রিজিয়ান। যেটা ২৫(+) দুধ দিচ্ছে ধরে নিন সেটা ৭৫% ফ্রিজিয়ানের উপরে আছে । এই ধরে নেয়াটা বিতর্কিত কিন্তু উপায় নেই, এভাবেই রেকর্ড রাখা শুরু করতে হবে।